অলিম্পিক জিতেই সমালোচকদের জবাব নেইমারের

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : ব্যাপারটা যেন নিয়তি-নির্ধারিতই ছিল। স্বপ্ন-সারথির মাধ্যমেই আসবে উৎ​সবের উপলক্ষটা। টাইব্রেকারের প্রথম আট শটে দুই দলের সবাই গোল করল। জার্মানির পঞ্চম শটটাই ব্রাজিল গোলকিপার ওয়েভারটন ফিরিয়ে দিলেন। ব্রাজিলের শেষ শট নিতে এলেন নেইমার, কোনো ভুল তিনি করলেন না। সোজা জালে পাঠিয়ে প্রথমবারের মতো অলিম্পিক-সোনার উল্লাসে মাতালেন মারাকানা স্টেডিয়ামের ৭৮ হাজার উন্মাতাল দর্শককে। দর্শকদের নেইমার কেবল উল্লাসেই মাতালেন না, বন্ধ করে দিলেন তাঁর নিন্দুকদের মুখও।

অলিম্পিকের শুরুটা ঠিক ‘ব্রাজিল-সুলভ’ ছিল না। এ জন্য কতই–না সমালোচনা। গ্রুপের প্রথম দুটো ম্যাচে ব্রাজিলের গোলশূন্য ড্রয়ে নারী দলের তারকা মার্তাকেও বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল নেইমারের চেয়ে বড় তারকা। কিন্তু শেষ গ্রুপ ম্যাচ থেকে ঠিকই ঘুরে দাঁড়াল ব্রাজিল। সেই সঙ্গে নেইমার। ফাইনালে দলকে তুলে দেশকে এনে দিলেন অলিম্পিক ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব। এবার নিন্দুকদেরই তো পালিয়ে বাঁচার পালা।

সোনার পদক জয়ের আনন্দে নেইমার সব ভুলে গেছেন—এমনটা ভাবলে ভুলই করবেন। অলিম্পিক ফুটবলের সোনাটা নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন সমালোচকদের সবকিছু মনে করিয়ে দিলেন তিনি। বললেন, ‘এবার নিজেদের থুথু নিজেরাই গেল! ব্রাজিলই অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন!’

জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্তটাই আজ মারাকানায় দেখেছেন ​নেইমার, ‘এটি আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত।’এই কথা নেইমারের না বললেও চলত। শুধু নেইমার কেন, রিওর অধিবাসীরাই যে তাঁদের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিনটির সাক্ষী হলেন!

Print Friendly, PDF & Email