জয় দিয়ে লিগ শেষ করলো আবাহনী

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্কআগের দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী এবার নেমেছিল প্রিমিয়ার লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার মিশনে। যদিও লক্ষ্য পূরণ হয়নি। রানার্স-আপ হওয়া নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল তাদের আগেই। আজ (সোমবার) নেমেছিল লিগের শেষ ম্যাচ খেলতে। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও শেষটা জয় দিয়ে রাঙিয়ে নিয়েছে ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে সফল দলটি।

নাবীব নেওয়াজ জীবনের জোড়া লক্ষ্যভেদে শেখ জামালকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে আবাহনী। দিনের অন্য ম্যাচে শেখ রাসেল-রহমতগঞ্জ ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছে গোটা ম্যাচে। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল আকাশি-হলুদ জার্সিধারীরা।

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে আবাহনী প্রথম গোলের দেখা পায়। সানডে চিজোবার পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জীবন বক্সে ঢুকে প্লেসিং শটে দলকে এগিয়ে নেন।

৪৩ মিনিটে জীবন আবারও জাল খুঁজে পেলে ব্যবধান ২-০ করে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। মামুনুল ইসলামের কর্নারে সানডের হেড থেকে জীবনের শট রুখে দেন শেখ জামাল গোলরক্ষক মোহাম্মদ নাঈম, তবে ফিরতি বলে জীবনের শট আর ঠেকাতে পারেননি তিনি।

বিরতির পর আবাহনীর আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ৫৭ মিনিটে তাদের আরও এগিয়ে নেন সানডে। জুয়েল রানার পাসে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। যদিও ২ মিনিট পর শেখ জামাল খেলায় ফেরার ইঙ্গিত দেয় এক গোল করে। সলোমন কিংয়ের ক্রস ‘ক্লিয়ার’ করতে গিয়ে ডিফেন্ডার মামুন মিয়া নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন।

৭১ মিনিটে শেখ জামালের স্বপ্ন একেবারেই শেষ হয়ে যায় আবাহনী চতুর্থ গোল করলে। বক্সের বাইর থেকে সোহেল রানা জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করে নিশ্চিত ‍করেন আবাহনীর বড় জয়।

২৪ ম্যাচে ১৯ জয়ে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করলো আবাহনী। এক ম্যাচ কম খেলে শেখ জামাল দশম হারে আগের ২৭ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে।

এদিকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শেখ রাসেল ২-২ গোলে ড্র করেছে রহমতগঞ্জের সঙ্গে। শেখ রাসেলের রাফায়েল ওদোয়িন জোড়া গোল করেছেন। রহমতগঞ্জের ফয়সাল আহমেদ ও সিও জুনাপিওর কাছ থেকে এসেছে একটি করে গোল।

২৩ ম্যাচে শেখ রাসেল চতুর্থ ড্রতে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে নবম ড্রতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে রহমতগঞ্জ।

Print Friendly, PDF & Email