মাহমুদউল্লাহ আট বছর পর দেখা পেলেন দ্বিতীয় টেস্ট শতকের

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্কপ্রথম ইনিংসের মতো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও বিষাদের সুর বেজে উঠেছিল টাইগার শিবিরে। দলীয় ২৫ তুলতেই লাল-সবুজের নেই ৪ উইকেট!

অভিষিক্ত মিঠুনের ফিফটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার পর ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত টেস্ট অধিনায়ক।

ম্যাচের চতুর্থ দিন বলে শুরুতে কিছুটা তাড়াহুড়ো ছিল বটে। সেই চেনা প্রতিপক্ষ, উইকেটও ততটা বদলায়নি। কিন্তু তারপরেও টপ অর্ডারের সেই চিরচেনা দৃশ্য। কিন্তু তাতে আহামরি ক্ষতি হলো না। প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানে এগিয়ে থাকায় মিঠুনের সঙ্গে ১১৮ রানের জুটি গড়ে এবং এরপর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলকে ৪০০ রানের বেশি লিড এনে দিলেন টাইগার দলপতি।

টেস্ট ক্রিকেট বলে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে নয়। বেশ সপ্রতিভ ব্যাটেই এই শতকের দেখা পেয়েছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান।  মাহমুদউল্লাহ ১০১ রান করতে বল খেলেছেন ১২২টি। যেখানে চারের মার ছিল ৬টি ও ছয়ের মার ২টি।
 
আজ থেকে ৮ বছর আগে, হ্যামিল্টনে ২০১০ সালে ১৫ফ্রেবুয়ারি সাদা পোষাকে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে সিরিজের একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৭৭বলে খেলেছিলেন ১১৫ রানের ইনিংস।
  
সহযোদ্ধা মিঠুন অবশ্য ফিরে গেছেন নিজের প্রথম টেস্ট অর্ধশতক সংগ্রহ করে ৬৭ রানে সিকান্দার রাজার বলে চাকাভার ক্যাচ হয়ে। তবে মেহেদি হাসান মিরাজ অপরাজিত ২৭ রান করে অধিনায়কের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত ক্রিজেই ছিলেন।

এর আগে ব্যক্তিগত ৩ রানে ইমরুলকে মাভুতার হাতে তুলে দিয়েছেন জার্ভিস। লিটনের উইকেট শিকারিও ওই জার্ভিস। ৬ রানে বোল্ড আউট করে লিটনকে প্যাভিলনের পথ দেখিয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ১৬১ রান করা মুমিনুলকে মাত্র ১ রানে ক্রিজ ছাড়া করেছেন ত্রিপানো। ডাবল সেঞ্চুরি করা মুশফিককেও ৭ রানে ফিরিয়েছেন ওই ত্রিপানো। আরিফুল হককে ৬ রানে বিদায় করেন শেন উইলিয়ামস।

চা বিরতির আগে নিজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৪৪২ রানের লিড ঝুলিতে পুরে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেছে বাংলাদেশ। 
 

Print Friendly, PDF & Email