রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে রংপুরকে হারালো রাজশাহী

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্করংপুর রাইডার্সের লক্ষ্যটা ছিলো ১৩৬ রান। এমন লো স্কোরিং ম্যাচেও রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে রাজশাহী কিংস। শেষ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সকে তারা হারিয়েছে ৫ রানে।

অথচ পেন্ডুলামের মতোই ঝুলছিলো ম্যাচের ভাগ্য। রাইলি রুশো ক্রিজে থাকায় ম্যাচে জয় প্রত্যাশা করছিলো রংপুর রাইডার্সই। কিন্তু শেষ দিকের দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের কাছে নিয়ে নেয় রাজশাহী। ১৯তম ওভারে উদানা নাহিদুলকে ফেরালে ম্যাচটা তখনও ‍ঝুলেছিলো রংপুরের দিকেই।

৬ বলে যখন ৯ রান প্রয়োজন সেই ওভারে মোস্তাফিজের কাটারে খেই হারায় রংপুর। ৬ বলে তিন রান নিতে পারে তারা। ৬ উইকেটে তারা তোলে ১৩০ রান। রুশো ৪৪ রানে অপরাজিত থেকেও পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ নিয়ে মাঠে ছাড়েন। এরফলে আবার জয়ের ধারায় ফিরলো রাজশাহী। আর জয়ের কাছে গিয়ে আবারও পরাজয় বরণ করতে হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। রাজশাহীর পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোহাম্মদ হাফিজ। ম্যাচসেরা জাকির হাসান।

ঢাকার বিপক্ষে আগের ম্যাচে জয়ের কাছে গিয়েও বঞ্চিত হয়েছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচেও টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ধুঁকতে থাকা রাজশাহী টস হেরে ব্যাট করে ১৩৬ রানের লক্ষ্য দেয় রংপুরকে। তারা সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান।

শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামলেও ব্যাটিংয়ে খুব বেশি আলো ছড়ায়নি রাজশাহী। অধিনায়ক মিরাজ ওপেনিংয়ে নামলেও মাশরাফির আঘাতে ফিরে গেছেন দ্বিতীয় ওভারেই। ওপেনার মুমিনুল দুটি বাউন্ডারি মেরে সৌম্য সরকারের সঙ্গী হয়ে স্কোর বোর্ডে কিছু রান তুলেছেন। তবে বেশি বড় হয়নি বাম হাতি এই ওপেনারের ইনিংসটি। ১৪ রানে ফিরে গেছেন সোহাগ গাজীর বলে ক্যাচ দিয়ে।

সৌম্য দুই চার ও এক ছক্কায় আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাকেও বিদায় দেন মাশরাফি। মোহাম্মদ হাফিজ ধীর গতির ব্যাটিং করেছেন তারপর। ২৯ বলে ২৬ রান করে অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান ফিরলে দলের বাকি তারকারা হাত খোলার আগেই বিদায় নিয়েছেন সাজঘরে। শুধু জাকির হাসান ৪২ রানে অপরাজিত থেকে পুঁজি বাড়ানোর দিকে মনোযোগী ছিলেন।

রংপুরের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, ফরহাদ রেজা। একটি করে নেন সোহাগ গাজী ও শফিউল ইসলাম। 

Print Friendly, PDF & Email