একটা পদকের জন্য কী কী খাবার মুখে তোলেননি সাক্ষী?

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : রিও অলিম্পিক্সে চতুর্থ দীপা কর্মকার। তৃতীয় সাক্ষী মালিক। দ্বিতীয় পিভি সিন্ধু। সবার জীবনের চিত্রনাট্যই এক।

চ্যাম্পিয়নরা বোধহয় একই পথ ধরে এগোন! অলিম্পিক্সের মাসতিনেক আগে থেকে কোচের হাতেই ঘোরাফেরা করেছে তাঁদের মোবাইল ফোন। কোচের বলে দেওয়া ডায়েট অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলছেন। একটা পদক জেতার জন্য কী কঠিন পরিশ্রমটাই না করেছেন তাঁরা!

কঠিন অধ্যবসায়ের ফল হাতেনাতে তাঁরা পেয়েছেন রিওতে। তাঁদের বয়সি অন্যান্য মেয়েরা যখন আনন্দ করেছেন, সিনেমা দেখেছেন, নিজেদের পছন্দের খাবার খেয়েছেন, সেই সময়ে সাক্ষী, সিন্ধু, দীপারা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছেন। ভোর রাত থেকে অনুশীলনে নিজেদের ডুবিয়ে দিয়েছেন। প্রবল ঘাম ঝরানোর পরে পদক পাওয়ার আনন্দই যে আলাদা। তাই এখন সপ্তম স্বর্গে সাক্ষী মালিক, পিভি সিন্ধুরা।

মহিলা কুস্তিগির সাক্ষী যেমন তাঁর প্রাতঃরাশের ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে। লিখেছেন, ‘‘এটাই ঠিকঠাক ব্রেকফাস্ট। এতদিন আমি তা মিস করেছি।’’ এখন অবশ্য আর কোনও বাধানিষেধ নেই সাক্ষীর। সিন্ধুরও।

হায়দরাবাদি কন্যা আগেই অভিযোগের সুরে বলেছেন, হায়দরাবাদি বিরিয়ানির স্বাদ তিনি ভুলেই গিয়েছেন। কতদিন তিনি আইসক্রিম খাননি, তার ইয়ত্তা নেই। রুপো জতে উঠেই গুরু গোপীচন্দের সঙ্গে ডিনার সেরেছেন। পছন্দের বিরিয়ানিও খাবেন তিনি। অবশ্য এই রুটিন তাঁরা বেশিদিন মেনে চলবেন না। তাঁদের লক্ষ্য যে পরবর্তী অলিম্পিক্স। টোকিও ২০২০ থেকে সোনা জেতার লক্ষ্যেই নিজেদের তৈরি করতে নেমে পড়বেন নারীবাহিনি।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার