ফেনিতে আটকে গেল মোহামেডান

স্পোর্টস লাইফ, প্রতিবেদক মোহামেডান স্পোর্টিং আর সকার ক্লাব ফেনী ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এই দুটি দলের কোনো তুলনাই হয় না। কিন্তু মাঠের খেলায় ইদানীং সেই পার্থক্যটা অনেক কমে এসেছে।

চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে আরও একবার সেটাই প্রমাণিত হলো। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে গোলশূন্য ড্র করেই চট্টগ্রাম-পর্ব শেষ করেছে মোহামেডান ও ফেনী সকার।

ম্যাচটি শুরু হয়েছিল ফেনী সকারের আধিপত্য দিয়েই। ছোট ছোট পাসে মোহামেডানের রক্ষণে শুরুর দিকে ভালোই আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন ফেনীর খেলোয়াড়েরা। সুশান্ত ত্রিপুরা ও অধিনায়ক আকবর হোসেন রিদনরা খেলছিলেন চমৎকার।
বিদেশি কামারা মামোদো নটিম ফ্রাঙ্করা নেতৃত্বে ছিলেন নাইজেরিয়ার কোচ লাডিবাবা লোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে। কিন্তু গোলের দেখা তাঁরা পাননি।
মোহামেডানও যে গোলের সুযোগ তৈরি করেনি, তা বলা যাবে না। বেশ অনেকবারই ফেনীর রক্ষণে ঢুঁ মেরেছিলেন ইসমাইল বাঙ্গুরা, আমিনুর রহমান সজীবরা। কিন্তু সেই চেষ্টাগুলো ফেনীর রক্ষণে বাধা পেয়ে ফিরছিল বারবার। পুরো ম্যাচেই ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা বেশ ভালোভাবেই ভুগিয়েছে মোহামেডানকে।
ম্যাচ শেষে ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতাকেই মোহামেডানের দুর্গতির কারণ হিসেবে বললেন মোহামেডান কোচ জসিমউদ্দিন জোসি, ‘কোনো দলের ফরোয়ার্ডরা ভালো খেলতে না পারলে সেই দলকে ভুগতে হয়।’ জোসির হতাশার মূল কারণ মোহামেডানের অধিনায়ক বাঙ্গুরা।
দলের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃত বাঙ্গুরা চট্টগ্রামের তিনটি ম্যাচেই ছিলেন নিষ্প্রভ, ‘বাঙ্গুরার ওপর আমার অনেক ভরসা। কিন্তু সে মোটেও ভালো খেলতে পারছে না।’
চট্টগ্রামে ৭ পয়েন্ট লক্ষ্য ছিল মোহামেডানের। পেয়েছে মাত্র ২ পয়েন্ট। তবে লিগের দীর্ঘ বাকি পথটাতে নিজেদের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার প্রত্যয় জোসির।
লাডিবাবা লোলা অবশ্য রেফারিং নিয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। চট্টগ্রামে তাঁদের প্রতিটি ম্যাচেই নাকি তাঁরা বাজে রেফারিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে দাবি লাডিবাবার, ‘আজও নিশ্চিত পেনাল্টি দেওয়া হয়নি আমাদের। আজকেই কেবল নয়, তিনটি ম্যাচেই বাজে রেফারিংয়ের শিকার হয়েছি।’
Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার