এমসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড পেলো কিউইরা

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্কলর্ডসে আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে হারলেও মানুষের হৃদয় জিতে নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তাদের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারের পর সুপার ওভারও টাই হলে বাউন্ডারির হিসাব-নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

মহাকাব্যিক ফাইনাল নানা কারণে বিতর্কিত হলেও কিউইরা কোনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। মাঠে ও মাঠের বাইরে অসাধারণ ক্রীড়াসুলভ পারফরম্যান্স দেখানোর স্বীকৃতিতে তাদের দেওয়া হলো ২০১৯ সালের ক্রিস্টোফার মার্টিন-জেনকিনস স্পিরিট অব ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড।

লন্ডনের বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষ ওভারের চতুর্থ বলে মার্টিন গাপটিলের থ্রো বেন স্টোকসের ব্যাটে অনিচ্ছাকৃতভাবে লেগে বাউন্ডারি হয়, ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে যুক্ত হয় ৬টি রান। ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়া এই মুহূর্ত নিয়ে সমালোচনা হয়েছে অনেক, বিশেষজ্ঞদের মতে ৫টি রান যোগ হওয়ার কথা ছিল। শেষ দুটি বলেই সিঙ্গেল নিয়ে ম্যাচ টাই করে স্বাগতিকরা।

অবশ্য এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি নিউজিল্যান্ড। এমনকি চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে বাউন্ডারির হিসাব নিয়ে তুমুল আলোচনা হলেও নিশ্চুপ ছিল তারা। স্বপ্ন ভাঙার বেদনা নিয়ে দেশে ফিরে যায় কিউইরা।

কেন উইলিয়ামসনদের এই দৃঢ়চেতা মনোভাব হয়েছে প্রশংসিত। এবার এর স্বীকৃতি পেলো রানার-আপরা। স্পিরিট অব দ্য ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ডের অন্যতম স্রষ্টা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। এর প্রেসিডেন্ট কুমার সাঙ্গাকারা ব্ল্যাক ক্যাপদের প্রশংসা করেছেন।

হ্যামিল্টনে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড টেস্ট ড্র হওয়ার পর উইলিয়ামনদের হাতে তুলে দেওয়া এই পুরস্কার, ‘এই অ্যাওয়ার্ড জয়ের উপযুক্ত দাবিদার নিউজিল্যান্ড দল। লড়াইয়ের উত্তাপের মধ্যেও তারা অসাধারণ স্পোর্টসম্যানশিপ দেখিয়েছে, তাও আবার ফাইনালে; এমনকি পুরো টুর্নামেন্টে। আমরা এখনও স্পিরিট অব ক্রিকেট নিয়ে কথা বলি, তারা এই স্বীকৃতির দাবিদার।’

এমসিসির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিবিসি টেস্ট ম্যাচের বিশেষ ধারাভাষ্যকার মার্টিন জেনকিনসের স্মরণে ২০১৩ সাল থেকে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে এমসিসি ও বিবিসি। আইসিসি

 
Print Friendly, PDF & Email