চট্টগ্রাম টেস্টে সাব্বির-রাব্বি-মিরাজের অভিষেক

স্পোর্টস লাইফ, প্রতিবেদক বরাবরই বাংলাদেশ স্লো-লো ও স্পিন সহায় ট্র্যাকে খেলে থাকে। যদিও গত বছর স্পোর্টিং উইকেটে খেলেছিল টাইগাররা। তবে আবারও পুরনো স্পিন ট্র্যাকে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। তাই এক ঝাঁক স্পিনার নিয়ে ঘোষণা করে বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই একাদশে সুযোগ পান অফস্পিনার মিরাজ।

বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও সমান দক্ষতা রয়েছে এ অলরাউন্ডারের। তাই শেষ দিকে ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হয়েছে টাইগারদের। তার মাথায় টেস্ট ক্যাপ তুলে দেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম।

আর গত বছর থেকেই সীমিত ওভারের ম্যাচে ধারাবাহিক সাফল্য দেখানোর কারণে সুযোগ পান সাব্বির রহমান। চলতি বছর তিন নম্বরে নেমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। ওয়ানডেতেও সমান ধারাবাহিক ছিলেন তিনি। তাই টেস্টে অভিষেক সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র। আর এদিন হয়েও গেল তা। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের হাত থেকেই পড়েন টেস্ট ক্যাপ।

তবে কামরুল ইসলাম রাব্বির একাদশে জায়গাটা অনেকটা সৌভাগ্যপ্রসূতই। মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ শহীদের ইনজুরিতে দলে জায়গা হয় তার। আর প্রথম বারের মত টেস্ট দলে জায়গা পেয়ে এবার সুযোগ হয়ে গেল টেস্ট ক্যাপ পরারও।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পিচ একদম নির্জীব ও ব্যাটিং সহায়। বাড়তি গতি ও বাউন্স কোনটাই এ পিচে তেমন কার্যকর হয় না। তাই রাব্বিকে বিবেচনায় আনা হয়েছে। তাকে টেস্ট ক্যাপ পরিয়ে দেন বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।

এবারের ১৪ জনের দলে একদম নতুন মুখ ছিল চারটি। বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। তবে মুশফিক যেহেতু কিপিং করায় ভাগ্য খোলেনি সোহানের।

বাংলাদেশ দল
তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম (অধিনায়ক), সাকিব-আল হাসান, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম রাব্বি।

Print Friendly, PDF & Email