ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ জেলার অনূর্ধ্ব-১৬ বক্সিং বাছাই কার্যক্রম সমাপ্ত

স্পোর্টস লাইফপ্রতিবেদক : জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামীতে ভালো মানের ক্রীড়াবিদ তৈরীর লক্ষে দেশব্যাপী তৃণমুল পর্যায়ে চলছে ৩১টি ডিসিপ্লিনে অনূর্ধ্ব-১৬ খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ ও বাছাই কার্যক্রম-২০১৬।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (১৮আগস্ট) পল্টনস্থ মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়ামে শেষ হয়েছে ৯ দিন ব্যাপী ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ জেলার অনূর্ধ্ব-১৬ বক্সিং প্রশিক্ষণ ও বাছাই কার্যক্রম।

বাছাই ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমের প্রধান সম্বনয়কারী বাদল রায়।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, বাংলাদেশ এ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজি আব্দুল মান্নান, কোষাধ্যক্ষ জহির চৌধুরী ও জাতীয় বক্সিং কোচ ও জাজ মো. আনিসুর রহমান কচিসহ অন্যান্যরা।

NSC Boxing pic up0

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাদল রায় খেলোয়াড় ও উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান ক্রীড়া বান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশ ব্যাপি বৃহৎ আকারে প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের লক্ষ্য ভালোমানের খেলোয়াড় খুঁজে বের করা। এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মান সম্পন্ন খেলোয়াড় হিসেবে তাদের গড়ে তোলা। আমরা বিশ্বাস করি তৃণমুল পর্যায়ে দেশব্যাপী এই প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম থেকে ভালো মানের খেলোয়াড় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। যারা আগামীতে জাতীয় দলে খেলবে এবং বাংলাদেশের নাম উজ্জল করতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশ এ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ও ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে গত ১০আগস্ট ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ জেলা হতে ১০০জন ছেলে ও মেয়ে বাছাইয়ে অংশ গ্রহন করে।

এদের মধ্য ৮জন ছেলে ও ৮জন মেয়ে মোট ১৬জনকে বাছাই করে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় কোচ মহিউদ্দিন আহমেদ। স্থানীয় কোচ হিসেবে ছিলেন মাসুদ রানা, ইসতিয়াক আহমেদ ও মাইনুল হাসান রাফি।

৯ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান শেষে মেধা অনুযারী প্রতিটি জেলা হতে ২জন ছেলে ও ২জন মেয়ে মোট ৪জন করে সর্বমোট ৮জনকে পরবর্তী বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য বাছাই করা হয়।

ঢাকা জেলা হতে পরবর্তী পর্যায়ে সুযোগ পেয়েছে যমুনা, সানজিদা রওশন কুয়াশা, ইমরানুল ইসলাম ফয়সাল ও মুহীব ওয়ালী জীদান।

নারায়নগঞ্জ জেলা হতে পরবর্তী পর্যায়ে সুযোগ পেয়েছে জিতু আক্তার, হাবিবা আক্তার, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. আবু সাইদ।

Print Friendly, PDF & Email