তানভীরের দুর্দান্ত স্পেলে শেখ জামালের জয়

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : দুর্দান্ত জয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ শিরোপার ‘ক্ষীণ’ আশা বাঁচিয়ে রাখলো শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে মাত্র ১৮৩ রানে গুটিয়ে গিয়েও ১০ রানে জিতলো ধানমন্ডির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব।

সোমবার সাভারে সুপার লিগের চতুর্থ ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বরের মুখোমুখি হয়ে মাত্র ৩৮ ওভারে শেষ হয় শেখ জামালের ইনিংস। এরপর তানভীর হায়দারের দুর্দান্ত স্পেলে ৪৮.২ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট হয় প্রাইম দোলেশ্বর।

এই জয়ে ১৫ ম্যাচ শেষে আবাহনীর (২২) সঙ্গে শেখ জামাল পিছিয়ে দুই পয়েন্টে। দুই নম্বরে থাকা লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সমান পয়েন্ট পেলেও রান রেটে পেছনে থেকে তৃতীয় তারা। খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে শেখ জামালকে। একই সঙ্গে আবাহনী ও রূপগঞ্জের মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের।

শেখ জামাল টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ধীর গতিতে এগিয়ে যেতে থাকে তারা। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ছোটখাটো ইনিংসে স্বস্তিতে ছিল নুরুল হাসানের দল।

১০২ রানে ৪ উইকেট হারালে জিয়াউর রহমানের (৩৯) সঙ্গে তানভীরের ৫৮ রানের জুটি প্রতিরোধ গড়ে। কিন্তু শেখ জামালের ব্যাটিং ধসের শুরু হয় ৩৭ ও ৩৮তম ওভারে দুটি জোড়া আঘাতে। ২ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারায় তারা।

জাকারিয়া মাসুদ ও ফরহাদ রেজা এই দুই ওভারে দুটি করে উইকেট নেন। তানভীর অপরাজিত ছিলেন ইনিংস সেরা ৪৩ রানে। তিনি খেলেছেন ৭০ বল।

প্রাইম দোলেশ্বরের পক্ষে জাকারিয়া সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি করে পান শরিফউল্লাহ ও ফরহাদ।

মাত্র ১৮৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ২২ রানে প্রথম দুই উইকেট হারালেও জয়ের পথে ছিল প্রাইম দোলেশ্বর। কিন্তু ২১তম ওভারে জোড়া আঘাতের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে যায় তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। ইলিয়াস সানির ওই ওভারে মার্শাল আইয়ুব (২৯) সোহাগ গাজীর ক্যাচ হন। পঞ্চম বলে ফরহাদ হোসেন হন রান আউট।

এরপর ২৮তম ওভার থেকে দুর্দান্ত স্পেল করেন তানভীর। তার লেগ স্পিনে টানা চার ওভারে চার উইকেট তুলে নেন ৪টি উইকেট। যদিও ১০৬ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর আরাফাত সানি ও সালাউদ্দিন শাকিলের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে আবারও জেতার আভাস পায় প্রাইম দোলেশ্বর। কিন্তু ৪৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সালাউদ্দিনকে (৩১) ফিরতি ক্যাচ ধরে শেখ জামালের জয় নিশ্চিত করেন রবিউল হক।

১০ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৩১ রান দিয়ে তানভীর নেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি।

Print Friendly, PDF & Email