তিতা করলার যত গুণ

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : খেতে তিতা বলে অনেকেই পছন্দ করেন না করলা। তবে জানেন কি এটি নিয়মিত খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে? প্রচুর মাত্রায় আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম,  পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি রয়েছে করলায়। পাশাপাশি ডায়াটারি ফাইবার, ক্যালসিয়াম, বিটা-ক্যারোটিনও পাওয়া যায় এটি থেকে। জেনে নিন করলা কীভাবে সুস্থ রাখে আমাদের।

  • প্রতিদিন পান করতে পারেন করলার রস। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
  • প্রতিদিন করলা খেলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমে। করলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড। এই দুটি উপাদান কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি শরীরের লবণের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে কমে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি।
  • করলায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান যা রক্তে মিশে থাকা দূষিত উপাদান বের করতে সাহায্য করে। এতে অসময়ে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। পাশাপাশি করলায় থাকা ভিটামিন এ, সি এবং জিঙ্ক বলিরেখা কমিয়ে ত্বক টানটান রাখে।
  • লিভার ভালো রাখে করলা। বদহজম এবং অ্যাসিডিটির প্রকোপ কমায় এটি।
  • ডায়েট চার্টে প্রতিদিন করলা রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে। এতে থাকা ডায়াটারি ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত ক্ষুধা লাগতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। এছাড়া বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে, করলায় থাকা নানাবিধ খনিজ এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান শরীরে জমে থাকা চর্বিকে ঝরিয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে ওজন কমে দ্রুত।
  • করলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ও ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালার্জি এবং সংক্রমণের প্রকোপ কমাতে পারে এটি।
  • ২০১০ সালে ফার্মাসিউটিকাল রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা মতে, করলায় করলায় থাকা অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক এবং অ্যান্টি-টিউমার উপাদান  ব্রেস্ট এবং সার্ভিকাল ক্যান্সারকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
Print Friendly, PDF & Email