দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েও জয়বঞ্চিত কলাবাগান

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে জয়ের জন্য কলাবাগানের প্রয়োজন ছিল ২৩৯ রানের মাঝারি সংগ্রহ। দলীয় ৩৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়কে দূরের বাতিঘর বানিয়ে ফেললেন দলের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। 

আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল ৫০ রানের নিচেই অলআউটের। এমতাবস্থায় হাল ধরলেন তাইবুর রহমান ও আবুল হাসান রাজু।

এই দু’জনের অনবদ্য ১৩৬ রানের জুটিতে জয় উঁকি দিলেও শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২২৩ রান সংগ্রহ করে ১৫ রানে হারের গ্লানি নিয়েই কলাবাগানকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতীয় ব্যাটসম্যান আশোক মেনারিয়ার ৯৫ ও অমিত মজুমদারের ৪২ রানে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবক’টি উইকেটের বিনিময়ে ২৩৮ রানের মাঝারি সংগ্রহ পায় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি।

কলাবাগানের হয়ে বল হাতে রাহাতুল ফেরদৌস ৩টি, মুক্তার আলী, নাহিদ হাসান ২টি করে এবং আবুল হাসান রাজু নিয়েছেন ১টি উইকেট।

জয়ের জন্য ২৩৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা কলাবাগান দলীয় ৩৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মিডল অর্ডারের তাবিবুর ও লোয়ার অর্ডারের আবুল হাসান রাজু। তাদের ব্যাটে এক পর্যায়ে জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছিল কলাবাগান। অবশ্য শেষ পর্যন্ত তারা ব্যাটে থাকতে পারলে হয়তো তা সম্ভবও ছিল। কিন্তু হয়নি।

ব্যক্তিগত ৭৬ রানে রাফসান আল মাহমুদের বলে ইনিংসের সমাপ্তি টেনেছেন আবুল হাসান রাজু আর ৮১ রানে মাসুম খানের বলে বিদায় নিয়েছেন তাইবুর। এরপর ২৬ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৯ উইকেটে ২২৩ রানের সংগ্রহ পাইয়ে দিয়েছেন সঞ্জিত সাহা।

বল হাতে খেলাঘরের হয়ে হাসান মাহমুদ ৩টি, রবিউল ইসলাম রবি, আনজুম আহমেদ ২টি করে এবং রাফসান আল মাসুদ ও মাসুম খান নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন আশোক মেনারিয়া।

Print Friendly, PDF & Email