নিজেকে ‘‌অলস’‌ বললেন বোল্ট‌!‌

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : তাঁর পেশির কাঠিন্য দেখলে হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করেন উল্টো পারের মানুষটি। তাঁর সারা শরীর বেয়ে যখন ঘামের সহস্র ধারা, তখন ‘‌পরিশ্রম’‌ শব্দটাই বুঝি পড়ে যায় লজ্জায়!‌ অথচ সেই মানুষটি কিনা নিজের সম্পর্কে সার্টিফিকেট দিলেন ‘‌অলস’‌!‌ হ্যাঁ, উসাইন বোল্ট এমনটাই বলছেন। বিশ্বের দ্রুততম গোপনীয়তার ধার ধারেন না কিছুতেই।

আগামী বছর বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের পরই সম্ভবত অবসর নেবেন। এই প্রসঙ্গটি তুলতেই বোল্ট বলেছেন, ‘‌আমি বরাবরই বড্ড অলস। আমার সম্পর্কে একথায় ব্যাখ্যা করতে হলে, ওই অলস শব্দটাই বলতে হবে। আমি কতখানি অলস জানেন?‌ ধরুন বসে আছি। ওপরের তলায় কেউ রয়েছে। চিৎকার করে তাকেই ডেকে বলব, প্লিজ একটু রিমোটটা দিও যাও না। ডেকে বলব, তবু নিজে উঠব না!‌ আমি এরকমই। এভাবেই দিন কাটাতে ভালবাসি।’‌

অবসরের পর কি তবে এভাবেই দিন কাটাবেন?‌ বোল্টের কথায়, ‘‌আমি অতি সাধারণভাবে দিন কাটাতে পছন্দ করি। অবসরের পর নিজের দেশেই থাকব। ফুটবল, ডার্ট বাইক— এই ধরণের খেলাগুলো দারুণ লাগে। এটুকু বলতে পারি, অবসরের পর প্রকৃতিকে উপভোগ করব আর নিজের খেয়াল–খুশি মত দিন কাটাব।’‌

রিও অলিম্পিকের পর থেকে তাঁকে নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। ব্রাজিলের কুড়ি বছরের মেয়ের সঙ্গে রাত কাটানো থেকে পার্টিতে ললনাদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া— সব নিয়েই হয়েছে চর্চা। এই বিষয়ে কী বলবেন?‌ বোল্ট চটপট জবাব দিয়েছেন, ‘‌ব্রিটিশ প্রচারমাধ্যম বরাবরই আমাকে খারাপ ছেলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে।

বলতে পারেন, ওরা উঠে–পড়ে লেগেছে। ওদের মতে, আমি শুধুই নারী সঙ্গ উপভোগ করি। একটা কথা বলতে চাই। এক দেশের সংস্কৃতির নিরিখে অন্য দেশের মানুষের সংস্কৃতিকে বিচার করা ঠিক নয়। ইংল্যান্ডে কেউ জনপ্রিয় হয়ে গেলে, প্রথমেই সে বিয়ে করে নেয়। তারপর সন্তানদের নিয়ে সুখে ঘর–সংসার করে। জামাইকার সংস্কৃতি সেটা নয়। ওখানে সব কিছু আলাদা।’‌ ‌‌

Print Friendly, PDF & Email