বিপিএল ফুটবলে ঢাকা আবাহনী ও মুক্তিযোদ্ধার ম্যাচ ড্র

স্পোর্টস লাইফ, প্রতিবেদক সংবাদ সম্মেলনে রাগে গজগজ করছিলেন আবাহনীর কোচ জর্জ কোটান। তাঁর রাগটা মূলত দলের খেলোয়াড়দের ওপরই। রাগ কিংবা বিরক্তি মূল কারণ এগিয়ে গিয়ে গোলটা ধরে রাখতে না পারা। এগিয়ে গিয়ে খেলাটা ছেড়ে দেওয়া। ম্যাচের প্রাধান্য প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া।

ময়মনসিংহে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে আবাহনী ঠিক এ কাজটাই করেছে। ম্যাচের শুরুতে ভালো খেলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে তারা।
বড় ম্যাচের আবহে শুরু খেলাটা প্রথম থেকেই ছিল উপভোগ্য। শুরুর দিকে আবাহনীর প্রাধান্য ছিল সানডে চিজোবা, ইমন বাবু, জুয়েল রানারা মুক্তিযোদ্ধার রক্ষণভাগকে ভালোই নাড়া দিচ্ছিলেন। ১৩ মিনিটের মাথায় সানডের গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। ইমন বাবুর ফ্রি কিক থেকে মুক্তিযোদ্ধার রক্ষণের জটলার মধ্যেই হেড করে গোলটি করেন সানডে।
গোলটি করেই নিজেদের যেন গুটিয়ে নেয় আবাহনী। এই সুযোগে আবাহনীর ওপর চড়াও হয় মুক্তিযোদ্ধা। সোহাগ, মনজুর রহমান মানিক, মোবারক, মুসা কোলোরা ব্যতিব্যস্ত করে দেন আবাহনীর সীমান্ত। আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফল বেশ দ্রুতই পায় মুক্তিযোদ্ধা। ৪৩ মিনিটেই মনজুর রহমান মানিকের দারুণ এক হেডের গোলে সমতায় ফেরে তারা।
মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি জিতলে লিগের শীর্ষে উঠে যেত আবাহনীই। উল্টো পয়েন্ট হারানোয় শীর্ষে মুক্তিযোদ্ধাই। কোচ আবদুল কাইয়ুম সেন্টুও বেজায় খুশি দলের লিগ অবস্থানে, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত আবাহনীর বিপক্ষে আমার খেলোয়াড়দের খেলায় আমি দারুণ খুশি। তাদের কাছ থেকে পয়েন্ট কেড়ে নেওয়াটাও বড় কিছুই।’
Print Friendly, PDF & Email