বিপিএল ফুটবলে ব্রাদার্সকে হারিয়ে শীর্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ

স্পোর্টস লাইফ, প্রতিবেদক এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে মাঠের ফুটবল হচ্ছে দুর্দান্ত। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে গতিময় ম্যাচ চোখে লেগে থাকার মতো গোলও উপহার দিচ্ছে অনেক। বুধবার মুক্তিযোদ্ধা-ব্রাদার্স ম্যাচটিও ব্যতিক্রম ছিল না। মাঠে দর্শক উপস্থিতি তেমন ছিল না।

মাঠে যাঁরা যাননি, এমন দুর্দান্ত একটা ম্যাচের সাক্ষী হতে না পারা একটা আফসোস তাঁদের থাকতে পারে। সোহাগের দুর্দান্ত এক গোলে প্রথম এগিয়ে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধার হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছেন আহমেদ মুসা কোলো। ওই ২-০ গোলেই ব্রাদার্সকে হারিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা।

প্রথমার্ধে দুই দলই সুযোগ পেয়েছে, তবে কেউই তা কাজে লাগাতে পারেনি। ৩৬ মিনিটে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও গোল করতে না পারাটা মুসার জন্য ছিল রীতিমতো ‘অসাধ্যসাধন’। ডান দিক থেকে ক্রস এসেছিল ব্রাদার্স বক্সে। কাছের পোস্টে থাকা ব্রাদার্স গোলকিপার ও পোস্টের সামনে থাকা ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলে বল চলে এসেছিল দ্বিতীয় পোস্টে থাকা মুসার কাছে।
কিন্তু দুই গজ দূর থেকেও কীভাবে যেন বলটাকে তিনি বাইরে পাঠিয়ে দিলেন! এমন ‘অপরাধে’ ব্রাদার্সের কিংসলেও অপরাধী। দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৯ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার বক্সের সামনে বল পেয়েছিলেন ব্রাদার্সের ‘জার্সি নম্বর টেন’। দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বেরিয়েও যান, কিন্তু গোলকিপারকে একা পেয়েও বল মেরে দেন পোস্টে।
অচলায়তন শেষ পর্যন্ত ভাঙলেন সোহাগ। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ব্রাদার্স বক্সের ঠিক ডান কোণে ফ্রি-কিক পায় মুক্তিযোদ্ধা। সেখান থেকে সোহাগের বাঁ পায়ের দুর্দান্ত রংধনু শটটি একেবারে জালের কোনায় জড়িয়ে যায়। ব্রাদার্স গোলকিপার চেষ্টা করেছিলেন, হাতও লাগিয়েছিলেন। কিন্তু অসাধারণ ওই শটটির ভাগ্যে গোল লেখা থাকবে না, এ বোধ হয় ফুটবল বিধাতাও চাননি।
চট্টগ্রাম পর্বে নিজেদের আগের দুই ম্যাচেই ড্র করা ব্রাদার্সের ফিরে আসার সব সম্ভাবনা ৮৪ মিনিটে শেষ করে দেন আহমেদ মুসা কোলো। আসলে বলা ভালো, ব্রাদার্সের রক্ষণই সুযোগটা করে দিয়েছে। এই গোলেরও উৎস বক্সের ডান দিকে ফ্রি-কিক।
Print Friendly, PDF & Email