‘বিস্ময়কর প্রতিভা কুতিনহো’

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্কগোটা বিশ্বের ফুটবলভক্তরা বটেই, খোদ ব্রাজিলেরই সাবেক লিজেন্ডরা এখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ হচ্ছেন সেলেকাওদের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ফিলিপে কুতিনহোর।

মাঝমাঠে নৈপুণ্য দেখিয়ে নিজে গোল করার পাশাপাশি সুযোগ তৈরির কারণে রবার্তো কার্লোস-কাকারা নজর রাখতে বলছেন কুতিনহোর ওপর। বুধবার (২৭ জুন) সার্বিয়ার সঙ্গে ব্রাজিলের দ্বিতীয় রাউন্ড নির্ধারণী ম্যাচে নজরটা যেন আরও বেশি কেড়ে নিলেন কুতিনহো।

একেবারে মাঝমাঠ থেকে তার একটি দুর্দান্ত ক্রসই হাওয়ায় উড়ে পায়ে ঠেলে গোল করেন মিডফিল্ডার পাওলিনহো। ম্যাচে তাতেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের। পরে আরেকটি গোল করেন রক্ষণভাগের তারকা থিয়াগো সিলভা। ব্রাজিল চলে যায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়।

বুধবারের দু’টি মিলিয়ে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে ব্রাজিল গোল করেছে পাঁচটি। এর মধ্যে দু’টি গোলই কুতিনহোর, আরেকটিতে তার অ্যাসিস্ট। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বাম প্রান্ত থেকে বাঁকানো শটে তার করা গোলটা তো টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছে।

ম্যাচ শেষে ব্রিফিংয়ে সেই কুতিনহোকেই প্রশংসায় ভাসালেন তার বার্সেলোনার সতীর্থ। টটেনহাম হটস্পার থেকে চাইনিজ লিগে খেলতে গিয়েও পরে স্প্যানিশ লিগে ফিরে নিজের জাত চেনানো পাওলিনহো ছোট-খাট গড়নের কুতিনহোকে আখ্যায়িত করেন ‘ফেনোমেনন’ বা বিস্ময়কর প্রতিভা হিসেবে।

পাওলিনহো বলেন, ‘ফেনোমেনন কুতিনহো আমাকে (বুধবারের ম্যাচে) একটি দুর্দান্ত পাস দিয়েছে বলেই এই গোলটি করতে পেরেছি। আমি সবসময়ই জায়গা খুঁজছিলাম এবং প্রথম গোলের সময় সেই সুযোগটি পেয়ে গেলাম।’

ব্রাজিলের প্রথম লক্ষ্য ছিল শেষ ষোলো নিশ্চিত করা, সেটি করতে পেরে নির্ভার পাওলিনহো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল এই পর্বে আসা এবং তা সম্ভব হয়েছে। সেজন্য খেলোয়াড়রা প্রশংসার দাবিদার।’

গ্রুপ পর্ব থেকেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানির ছিটকে যাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ব্রাজিলিয়ান এ মিডফিল্ডার বলেন, আমরা জার্মানিকে নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। নিজেদের লক্ষ্য পূরণে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

Print Friendly, PDF & Email