বোল্টের প্রেরণায় জ্যামাইকান ওমারের হার্ডলস জয়

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : জ্যামাইকান তারকা তিনি। কিন্তু উসাইন বোল্টের মতো তারকা কি আর হয়! স্বদেশী বোল্টই ওমার ম্যাকলোডের প্রেরণা। তিনবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন স্প্রিন্টারের সাফল্যে উজ্জীবীত হয়ে ওমারও গড়ে ফেললেন ইতিহাস। ২২ বছরের এই দৌড়বিদ জিতেছেন রিও অলিম্পিকে পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলসের সোনা।

আজ অলম্পিকের একাদশ দিনে প্রথম জ্যামাইকান হিসেবে এই ইভেন্টের অলিম্পিক সোনা জিতেছেন ওমার। সময় নিয়েছেন ১৩.০৫ সেকেন্ড। জ্যামাইকার এই সময়ের হিরো আছেন আরো একজন। তিনি শেলি-অ্যান ফ্রেজার প্রাইস। ১০০ মিটারে নারীদের স্প্রিন্টে গত অলিম্পিকের রানী ছিলেন। এবার তৃতীয় হয়েছেন। কিন্তু বোল্টের মতো জ্যামাইকার স্প্রিন্টে তারও প্রভাব খুব বেশি।

ওমার বোল্টের পাশাপাশি ফ্রেজার-প্রাইসেরও ভক্ত। তারা পারলে তিনি পারবেন না কেন! এসেছেন যে ক্যারিবিয়ান দ্বীপের একই কাদা-মাটি থেকে। ১১০ মিটার হার্ডলসে যুবা ওমারের পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। খুব সাবলীল ভাবে জিতেছেন। হারতে পারেন এমনটা মনেই হয়নি। অথচ সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যায়নি ওমারের।

গত মাসেই ডায়মন্ড লিগ মিটিংয়ে নিজের ইভেন্টে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু রিওতে ফিরেছেন দারুণ দৌড়ে। এবং সেখানে প্রেরণা বোল্ট ও ফ্রেজার-প্রাইস। “তাদের দেখুন। ওরা নামেন। মজা করেন। নিজেদের ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এবং জিতে নেন। আমারও তাদের মতো একই কাজ করতে মন চেয়েছে।” সোনা জয়ের পারফরম্যান্সের পর অগ্রজদের কথা টেনে ওমার বলছিলেন, “এটা আসলে এক রকমের ছোঁয়াচে ব্যাপার। অনুভব করার ব্যাপার।”

ওমারের ইভেন্টে কিউবার বংশোদ্ভুত স্প্যানিশ অরল্যান্ডো ওর্টেগা ১৩.১৭ সেকেন্ডে জিতেছেন রুপা। ফ্রান্সের দিমিত্রি বাস্কু ১৩.২৪ সেকেন্ডে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদক মেলেনি। ইতিহাস গড়ার পর ওমারের লক্ষ্য থাকবে এই ইভেন্টে ১২.৮০ সেকেন্ডের বিশ্ব রেকর্ডটা নিজের নামে করে নেওয়ার। আমি এখনো তরুণ। গড়ে ওঠার চেষ্টা করছি।” ওমারের কথা, “একদিন ওটা (বিশ্ব রেকর্ড) আমার হবে বলেই আশা করি।”

Print Friendly, PDF & Email