বোল্ট বহুগামী বলেই তাকে ছেড়েছেন যে নারী

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : স্প্রিন্ট সম্রাট উসাইন বোল্টের সাথে তার দিনকাল ভালোই যাচ্ছিল। নায়লাহ ডিলার্ড। ২৭ বছরের আমেরিকান মডেল। ২০১৩ সালে বোল্টের সাথে প্রথম দেখা। তারপর ডেট শুরু। নায়লাহর বিশ্বাস তার সাথে ডেট করার সময়টাতেই কেসি বেনেটের সাথে ডেট করা শুরু করেন বোল্ট। জ্যামাইকান বিদ্যুতের সাথে কয়েক বছর ডেট করলেও সম্পর্কটা স্থায়ী না হওয়ার কারণ একটি।

নায়লার ভাষায়, “সে বহুগামী। আমার ও তার সম্পর্ক শেষ হওয়ার এটাই বড় কারণ। সে এমন মানুষ যে নিজের নারী বিশ্বস্ত থাকুক চায়। কিন্তু নিজে অন্য নারীর সাথে খোলামেলা থাকবে তাই চায়।” রিও অলিম্পিকে ‘ট্রিপল ট্রিপল’ এর ইতিহাস গড়ার পর রাতের জীবন নিয়ে দারুণ আলোচনায় বোল্ট। রিওতে এক নারীর সাথে বিছানায় তার ছবি প্রকাশ পেয়েছে। লন্ডনে ফিরে টানা এক সপ্তাহ প্রায় রোজ অনেক নারীকে সঙ্গী করে নাইট ক্লাব ও হোটেলে পার্টি করেছেন। যদিও জ্যামাইকায় কার্নিভাল সুন্দরী কেসি বেনেটের সাথে তার দুই বছর ধরে সম্পর্কের কথা জানা যায়।

এই সময় ইংলিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান প্রকাশ করেছে বোল্টের এক সাবেক প্রেমিকার কথা। নায়লাহ নাকি যখন জেনেছেন জ্যামাইকায় বোল্টের গার্লফ্রেন্ড আছে তখন সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। বিশ্ব ইতিহাসের দ্রুততম মানব বোল্টের সাথে এই আমেরিকান সুন্দরীর ২০১৩ সালে দেখা। সেটা একটি অ্যাথলেটিক্স গালায়। কিন্তু কেসিকে বোল্ট তার ‘ফার্স্ট লেডি’ বলে সম্বোধন করলে নায়লাহ আর সম্পর্ক টেনে নিতে চাননি। ইতি টেনেছেন।

Bolt-2-up

নায়লাহ বোল্টকে বার্তা পাঠিয়েছেন, “এই যে এতো নারীর সাথে বিছানায় যাচ্ছো, আশা করি নিজেকে সুরক্ষিত করেই তা করছো।” তবে বোল্টের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ধাক্কাই খেয়েছেন নায়লাহ। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে বোল্টকে দেখে তার প্রতি আগ্রহ জন্মায় নায়লাহর। এই মডেল ও অভিনেত্রীর দাদাও দুটি অলিম্পিকে স্প্রিন্টে সোনাজয়ী। ২০১৩ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সময় বোল্টের চোখে পড়েন তিনি। টেলিফোন নম্বর আদান প্রদান হয়। ওইদিনই হোটেলে ফিরে বোল্ট নাকি তাকে সেখানে যেতে বলেন।

বোল্ট তাকে তিনজন মিলে বিছানা ভাগাভাগির অভিজ্ঞতা নিতে বললে নায়লাহ তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরের দিন সকালে হোটেল রিসেপশনে আবার দেখা। বোল্টের চাওয়া অনুযায়ী দুই সপ্তাহ পর নায়লাহ জ্যামাইকায় তার বাড়িতে চলে যান। দুজনে স্ট্রিপ ক্লাবেও যান। সেখানে শুধু অন্তর্বাস পরা মেয়েদের দিকে বিপুল আগ্রহ দেখান বোল্ট, টাকা ছোড়েন। তবে বোল্টের মজা করার ও সারাক্ষণ নাচে মেতে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা মুগ্ধ করে তাকে।

নায়লাহ বলেছেন, “আমরা একে অন্যকে খুব পছন্দ করতাম। ওর যৌনতার টান বড় বেশি। তার জীবনে আমিই প্রথম আমেরিকান মেয়ে।” ২০১৪ সালে আবার বোল্টের সাথে দেখা করতে যান নায়লাহ। কিন্তু সেখানে গিয়ে দ্রুত বুঝতে পারেন যে বোল্টের জীবনে অন্য নারী এসেছে। অবশ্য কেসি তাকে চেনেন কি না তা জানেন না নায়লাহ। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে তাকে যেহেতু বোল্ট অনুসরণ করেন তাই বিষয়টা বোঝা কঠিন কিছু না। কেসির ব্যাপারটা বুঝেই নায়লাহ সরে যান বোল্টের জীবন থেকে।

Print Friendly, PDF & Email