যুব গেমসে কুস্তি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন খুলনা

স্পোর্টস লাইফ, প্রতিবেদক বাংলাদেশ যুব গেমস চুড়ান্ত পর্বে তরুন-তরুনী বিভাগে ১৪টি ওজন শ্রেণীতে পদক জয়ের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো কুস্তি ডিসিপ্লিন। 

এই ডিসিপ্লিনে সেরা হয়েছে খুলনা। তারা ৪ স্বর্ণ, ১ রৌপ্য ও ৬ ব্রোঞ্জপদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। রানার্সআপ চট্টগ্রামের ছেলে-মেয়েরা পেয়েছে ৪টি স্বর্ণসহ মোট ৬টি পদক।

প্রতিযোগিতার শেষ দিনে তরুনদের গ্রুপে ৪২ কেজি ওজনশ্রেণীতে যুব গেমসের মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথম স্বর্ণপদক জয়ের স্বাধ পেয়েছেন ময়মনসিংহের কৃষক পরিবারের ছেলে নাসির মিয়া।

৪৬ কেজিতে স্বর্ণ পান খুলনা বিভাগের সজিব হালদার। ৫০ কেজিতে স্বর্ণ জিতেছেন রাজশাহী বিভাগের দেলোয়ার হোসেন। ৫৪ কেজিতে স্বর্ণ লাভ করে রিপন খান। ৫৮ কেজিতে স্বর্ণ জিতে নেন রংপুরের জয়ন্ত রায়। এবং ৬৩ কেজিতে সেরা হন খুলনার নাঈম শেখ। বালক ৬৯ কেজিতে খুলনার আশিকুর রহমান স্বর্ণপদক জিতে নেন।

এদিকে তরুনীদের ৩৮ কেজিতে স্বর্ণপদক জয় করেন রংপুর বিভাগের ফারিয়া আক্তার। ৪০ কেজিতে স্বর্ণ জিতেছেন রাজশাহীর শিউলী আক্তার। এছাড়া ৪৩ কেজিতে চট্টগ্রামের সিবলিকা তালুকদার, ৪৬ ও ৪৯ কেজিতে একই বিভাগের যথাক্রমে মাসিনু মারমা, ও সইপ্রু মারমা, ৫২ কেজিতে স্বর্ণ জয় করে চট্টগ্রামের সরনিকা তালুকদার এবং ৫৬ কেজিতে রাজশাহী বিভাগের রাশিদা খাতুন স্বর্ণপদক জিতে নেন।

তরুনদের ৪২ কেজিতে স্বর্ণ জয়ী ময়মনসিংহের ছেলে নাসির মিয়া বলেন, ‘আমার খুবই ভাল লাগছে বড় কোন প্রতিযোগিতায় ক্যারিয়ারে প্রথম স্বর্ণ পদক জিতলাম। মাত্র ১৫দিন জাতীয় কুস্তি খেলোয়াড় আমজাদ হোসেন ভাইয়ের কাছে অনুশীলন করেছিলাম। কুস্তি খেলাটাই আমার সবচেয়ে বেশী ভাল লাগে। কিন্তু আমার বড় ভাই চাননি আমি কুস্তি খেলি। বাবা ও মায়ের উৎসাহে আমি কুস্তি খেলা শুরু করি। আমার স্বপ্ন ভবিষ্যতে বড় কুস্তিগীর হয়ে দেশকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে পদক এনে দেয়া।’

খেলা শেষে বিজয়ীদের পদক পরিয়ে দেন বিওএ’র মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিওএ’র উপমহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু ও কুস্তি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদ।

Print Friendly, PDF & Email