যে রেকর্ড কখনোই ভাঙবে না!

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : রেকর্ড গড়াই হয় ভাঙার জন্য। অনেক পুরোনো এই আপ্তবাক্য মাথায় রেখেও বলতে হচ্ছে, কিছু কিছু রেকর্ড তো ভাঙে না কখনোই। উসাইন বোল্টের এই রেকর্ডও হয়তো ভাঙবে না কখনোই। বোল্ট নিজেও ‘মিশন সম্পন্নে’র ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, হয়তো কেউ কখনো তাঁর রেকর্ড ভাঙতে পারবে না।

‘হয়তো’টা নেহাতই ভদ্রতা করে বলা। বোল্টের সঙ্গে যা মানায়ও না। স্প্রিন্টের (১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়) ইতিহাসে কেউই কখনো ৯টি অলিম্পিক সোনা জেতেনি। বোল্টের এই রেকর্ডের পুনরাবৃত্তি করা সম্ভব, ভাঙা সম্ভব নয়। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের খেলার ইতিহাসেও কেউ কখনো ৯টির বেশি অলিম্পিক সোনা জেতেনি। নয়টি করে সোনা জেতার কীর্তি অবশ্য আরও দুজনের আছে। কিংবদন্তি কার্ল লুইস ও পাভো নুর্মির।

কিন্তু বোল্টের কীর্তি লুইস-নুর্মিদেরও ছাপিয়ে যাচ্ছে। লুইসের নয়টি সোনার সবগুলো স্প্রিন্টে নয়; চারটি এসেছে লং জাম্প থেকে। আর নুর্মি তো ছিলেন দূরপাল্লার দৌড়বিদ। অলিম্পিক ইতিহাসেই কেউ কখনো টানা তিন আসরে স্প্রিন্টের ইভেন্টে সোনা জেতার কীর্তি দেখাতে পারেনি। কেউ পারেনি এ জন্য আর কেউ পারবে না, তা তো নয়। পারতেও পারে। সে ক্ষেত্রে তাঁকে লুইসের মতো স্প্রিন্টের পাশাপাশি লং জাম্প, ৪০০ মিটার বা অন্য আরেকটি ইভেন্টেও বিশ্বসেরা হতে হবে।

যেটি কার্যত অবাস্তব।সাঁতার ছাড়া আর কোনো খেলায় এতগুলো সোনা জেতা আসলে সম্ভবই না। এ কারণেই সোনার সংখ্যায় মাইকেল ফেল্‌প্‌স উসাইন বোল্টকে অনেক পেছনে ফেলেছেন। যদিও কীর্তিতে দুজনই সমানে-সমান। ফেল্‌প্‌সের মতো তাই ইতিহাসে অমরত্ব নিশ্চিত বোল্টেরও। সতীর্থ ইয়োহান ব্লেকই আসল কথাটা বলে দিয়েছেন, ‘নয়টি সোনার মেডেল উসাইনকে অমর করে দিল। ও গ্রেটেস্টের চেয়েও বেশি কিছু।

Print Friendly, PDF & Email