সঙ্গিনীদের বুক না দেখে মেডেল পরতে দেননি হুল্লোড়ে বোল্ট

স্পোর্টস লাইফডেস্ক : একের পরে এক কেচ্ছায় জড়িয়ে পড়ছেন জ্যামাইকান স্পিডস্টার ইউসেইন বোল্ট। কিন্তু রিও অলিম্পিক্স তাঁকে ইতিমধ্যেই অমর করে দিয়েছে। সদ্যসমাপ্ত অলিম্পিক্সে বোল্ট টানা তিনটি সোনা জিতে নিয়েছেন। প্রদীপের নীচেই তো থাকে অন্ধকার। তাই জ্যামাইকান স্প্রিন্টারের অসামান্য সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসছে তাঁর কেচ্ছা। ফলাও করে তা ছাপা হচ্ছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে।

রিওর মাটিতে তিন-তিনটি সোনা জেতার অব্যবহিত পরে এক ব্রাজিলীয় মহিলার সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন তিনি। রিওর পরে বোল্টের পরবর্তী মৃগয়াক্ষেত্র ছিল লন্ডন। সেখানে একাধিক মহিলাদের নিয়ে রাত্রিবাস— উদ্দাম পার্টি। জলের মতো টাকা খরচ করেছেন সেই সব পার্টিতে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, সুরার পিছনেই বোল্ট সব টাকা উড়িয়ে দিয়েছেন।
এবার বোল্টের বিরুদ্ধে উঠল অন্য অভিযোগ। পার্টিতে উপস্থিত নারীদের গলায় তিনি ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর জেতা পদক। বোল্টের পদক বলে কথা! সবার সেই পদক পরার অধিকারও নেই। বোল্টও শর্ত বেঁধে দিয়েছিলেন তাঁদের জন্য।

খবরের ভিতরকার খবর বলছে, পদক গলায় ঝোলানোর জন্য পার্টিতে উপস্থিত সঙ্গীনীদের স্তন দেখাতে হয়েছিল বোল্টকে। সেই সঙ্গীনীদের শরীরী সম্পদ দেখার পরেই নাকি বোল্ট তাঁদের গলায় তুলে দিয়েছিলেন সোনার পদক।

বেজিং অলিম্পিক্স থেকে চলছে বোল্টের দাপট। টানা তিনটি অলিম্পিক্সে সোনা জেতার নজির গড়েছেন তিনি। সোনা ছাড়া অন্য কোনও পদক জায়গা পায়নি বোল্টের শো-কেসে। তাই সোনার পদক ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পদক জোটেনি বোল্টের সঙ্গীনীদের। প্রবল কৌতূহলবশত এক মহিলা বোল্টকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন— ‘কে জিতল?’ বোল্টের সপ্রতিভ জবাব— ‘কেউ হারেনি। সবাই জিতেছে।’

Print Friendly, PDF & Email