সুপার লিগে শেখ জামালের টানা তৃতীয় জয়

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : সুপার লিগে টানা তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। তারাই একমাত্র দল যারা সুপার লিগের সবগুলো ম্যাচেই জয় পেয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার (৩০মার্চ) তারা বৃষ্টি আইন ডিএল মেথডে ৮ রানে হারিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে। যদিও পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান তিন নম্বরে। ১৪ ম্যাচ শেষে শেখ জামালের পয়েন্ট ১৮। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জেরও। রান রেটের ব্যবধানেই পিছিয়ে রয়েছে শেখ জামাল।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। শুরুতেই উন্মুক্ত চাঁদকে হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় ধানমন্ডির ক্লাবটি। মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে যান ভারতীয় এই ক্রিকেটার। এরপর ১২ রান করে বিদায় নেন রাকিন আহমেদ। তৃতীয় উইকেটে তানবির হায়দারকে নিয়ে ওপেনার সৈকত আলি গড়েন বড় জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিলেও ৪৫ বলে ৫১ রান করে তিনি আউট হয়ে যান।

তানবির হায়দারও খেলেন ৭৬ বলে ৫০ রানের ইনিংস। তবে শেখ জামালের ইনিংসে বড় অবদান রাখেন জিয়াউর রহমান। ৭৪ বলে ৮৬ রানের বড় ইনিংস খেলে তিনি শেখ জামালের স্কোরকে চ্যালেঞ্জিং অবস্থানে নিয়ে যান। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট পড়ার কারণে ২৪৮ রানেই অলআউট হয়ে যায় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবটি। বল হাতে গাজী গ্রুপের আবু হায়দার রনি ৫৭ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন মুমিনুল হক ও সিকান্দার রাজা।

জবাব দিতে নেমে ভালোই খেলছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। যদিও ম্যাচটি শেষ দিকে এসে খুব ক্লোজ হয়ে যায়। ৪৭ ওভারে গাজী গ্রুপ ২১৭ রান তোলার পরই মিরপুরে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া। সাথে কালো হয়ে আসে পুরো আকাশ। বিকেল সাড়ে ৪টায় নেমে আসে রাতের অন্ধকার। তাতেই আলোকস্বল্পতার কারণে হয়ে যায় খেলা। তখন জয়ের জন্য ১৮ বলে ৩২ রান দরকার ছিল গাজীর। হাতে ছিল ৩ উইকেট।

ওই অবস্থায় ডার্কওয়ার্থ লুইত মেথডে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করা হয়। তাতেই দেখা যায় গাজী গ্রুপের চেয়ে ৮ রান এগিয়ে ছিল শেখ জামাল। ফলে, তারা জয় পেয়ে গেলো এই ব্যবধানে।

এর আগে জয়ের জন্য ২৪৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮৪ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় গাজী। পঞ্চম উইকেটে দলকে জয়ের রাস্তায় নিয়ে আসেন জাকির হাসান ও আসিফ আহমেদ রাতুল। দুজন গড়েন ৮৭ রানের জুটি। এরপর হঠাৎ ছন্দপতন। জাকির হাসান (৬১), নাদিফ চৌধুরী (১৫) ও মেহেদী হাসান (৮) দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান। অন্যপ্রান্তে ছিলেন ৮২ বলে ৫২ রান করা রাতুল। তবুও শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে আর মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি।

Print Friendly, PDF & Email