হেলদি ডায়েট অফিসেই!

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : সকালে ঘুম থেকে উঠেই শুরু হয় অফিসের ব্যস্ততা। তাড়াহুড়া করে নাস্তা খেয়ে অফিসে যাওয়ার পর দিনভরই থাকতে হয় কর্মক্ষেত্রে। অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা অথবা ক্ষুধা দূর করার জন্য হুট করে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খেয়ে ফেলা হয়ে যায় দৈনন্দিন রুটিন।

আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্লান্তির কারণে শরীরচর্চাটাও হয়ে ওঠে না ঠিকঠাক। সব মিলিয়ে অনিয়মই যেন হয়ে ওঠে কর্মজীবীদের নিয়ম! তবে সুস্থ থাকতে সুষ্ঠু খাওয়া-দাওয়া ও নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই। ব্যস্ত জীবনেও কীভাবে মেনে চলবেন ডায়েট প্ল্যান, জেনে নিন সেটি-

সকালের নাস্তায় ঝটপট ওটমিল: দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে ওটমিলের জুড়ি নেই। অফিসে যাওয়ার আগে ওটের সঙ্গে বাদাম ও শুকনো ফল মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটি যেমন পেট ভরতে সাহায্য করবে, তেমনি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রাও রাখবে ঠিকঠাক।  

বাসায় বানানো খাবার নিয়ে যান অফিসে: বাইরের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। বাসায় বানানো খাবার নিয়ে যান অফিসে। এটি শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি অযথা খরচের হাত থেকেও বাঁচাবে আপনাকে।  

পানির বোতল রাখুন হাতের কাছেই: কাজের ব্যস্ততায় ঠিকমতো পানি পান করতে যেন ভুলে না যান সেজন্য নাগালের মধ্যেই রাখুন পানির বোতল। নিয়মিত পানি পান আপনাকে দূরে রাখবে বিভিন্ন রোগ থেকে।

বাদাম রাখুন সঙ্গে: অনেক সময় কাজের ফাঁকে হঠাৎ ক্ষুধা লাগলেও খাওয়ার সময় পাওয়া যায় না। এসময় ঝটপট বাদাম চিবিয়ে নিতে পারেন। অফিসে যাওয়ার সময়ই সঙ্গে বাদাম নিয়ে যান।

ফল খান নিয়মিত: কাজের ফাঁকে ফল খেতে পারেন। কাটা ফল খেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি স্বাস্থ্যও ভালো রাখে এটি।

জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন: সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জাঙ্ক ফুড ও কোল্ড ড্রিংক এড়িয়ে চলার কোনও বিকল্প নেই।

অফিসের পর হাঁটুন: সম্ভব হলে অফিস ছুটির পর কিছুক্ষণ হেঁটে নিন। যাদের বাসা ও অফিসের দূরত্ব কম তারা হেঁটেই যাওয়া আসা করতে পারেন। এটি সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখবে আপনাকে।

Print Friendly, PDF & Email