১০০ বলের নতুন ফরমেটে সমর্থন রুট-আথারটনদের

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্কটেস্ট, ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি ফরমেটই। তবে দর্শকদের কাছে আরও উপভোগ্য ক্রিকেট উপহার দেয়ার চিন্তাটা থেমে নেই।

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) যেমন ভাবছে ১০০ বলের ফরমেটের কথা। ইংলিশ অধিনায়ক জো রুটও মনে করছেন, এই ফরমেটটা আসলে ভালোই হবে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ১২০ বলের। নতুন ফরমেটে বল থাকবে আরও ২০টি কম। ৬ বলের ওভার করে হবে প্রথম ১৫ ওভার। শেষ ওভারটি হবে ১০ বলের। টি-টোয়েন্টি থেকে এই জায়গায় বেশ আলাদা থাকবে ১০০ বলের ফরমেট।

২০২০ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে এই ফরমেটটা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর কথা ভাবছে ইসিবি। তবে এরই মধ্যে অনেকে শঙ্কায় ভুগছেন। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি এসে যেভাবে টেস্টের দর্শকপ্রিয়তা কমিয়ে দিয়েছে, ১০০ বলের ফরমেট আসলে তো টেস্ট ক্রিকেটটা একদম মরেই যাবে।

তবে জো রুট এমনটা মনে করছেন না। তার মতে, এই নতুন ফরমেট আরও বেশি মানুষকে ক্রিকেটের দিকে নিয়ে আসবে। ফলে টেস্টেও দর্শক বাড়বে।

রুট বলেন, ‘এটা পুরোপুরি নতুন দর্শকদের আগ্রহী করবে। আমার মনে হয়, ব্যাপারটা দারুণ হবে। যত মানুষ এবং বাচ্চারা এই খেলায় ঢুকবে, ততই ভালো।

আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেন এটাকে অন্য ফরমেটের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলি। এটা নতুন দর্শকদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করবে, তবে অন্য ফরমেটের জন্য হুমকি হবে না।’

একইরকম মত ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটনের। তিনি বলেন, ‘অনেকেই এটাকে টি-টোয়েন্টির সঙ্গে তুলনা করছেন এবং আশঙ্কা করছে এটা টেস্ট ক্রিকেটের থেকে আগ্রহ কমিয়ে দেবে।

এটা মনে রাখা উচিত, এটা নতুনদের এই খেলায় আনবে। হতে পারে এমন কেউ যে কখনো আগে এই খেলাটা সম্পর্কে জানতো না। জানার পর সে টেস্টও দেখতে শুরু করবে এবং সেটাতে মগ্ন হয়ে পড়বে। আমি ব্যাপারটা এভাবেই দেখি।’

Print Friendly, PDF & Email